السلام عليكم

যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তেগফার (তওবা) করবে আল্লাহ তাকে সব বিপদ থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেবেন, সব দুশ্চিন্তা মিটিয়ে দেবেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে তার রিজিকের ব্যবস্থা করে দেবেন। [আবূ দাঊদ: ১৫২০; ইবন মাজা: ৩৮১৯]
Showing posts with label কর্তব্য. Show all posts
Showing posts with label কর্তব্য. Show all posts

দুরুদ শরীফ

| comments

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ، وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ

"আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন্ কামা ছাল্লাইতা আলাইব্রাহীমা ওয়া আলা আলি ইব্রাহীমা, ইন্নাকা হামিদুম্মাজিদ। আল্লাহুম্ম বারিক আলা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা আলা ইব্রাহীমা ওয়া আলা আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্মাজীদ।"

ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্ক

| comments

আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা জাহান্নামে যাওয়ার অন্যতম এক কারণ। এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা বলেন, 'ক্ষমতা লাভ করলে সম্ভবত তোমরা পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করবে এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে। এদের প্রতি আল্লাহতায়ালা অভিসম্পাত করেন, অতঃপর তাদের বধির ও দৃষ্টি শক্তিহীন করেন।' _সূরা মুহাম্মদ : ২২-২৩
আজ বড়ই পরিতাপের বিষয়, আমাদের সমাজের অনেক মুসলমানই পিতা-মাতার প্রতি কর্তব্য ও আত্মীয়-স্বজনের অধিকার সম্পর্কে একেবারেই অসচেতন। তারা আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে মিলনের সেতুবন্ধকে ছিন্ন করে চলছেন। তাদের বক্তব্য হচ্ছে, আমার আত্মীয়রাই তো সুসম্পর্ক বজায় রাখছেন না। আমি একাই এর জন্য দায়ী নই। কিন্তু এ বক্তব্য তাদের কোনো উপকারে আসবে না। কারণ যে আত্মীয়তার সম্পর্ক ঠিক রাখবে, শুধু তার সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে_ এই যদি নীতি হয় তাহলে তা আল্লাহর জন্য হলো না, বরং তা হলো বদলা। হজরত যুবাইর বিন মুতইম (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, 'আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না।' _বুখারি ও মুসলিম
অন্যত্র ইরশাদ হচ্ছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, 'আত্মীয়তা আল্লাহতায়ালার সামনে দাঁড়িয়ে বলল, আমাকে বিচ্ছিন্ন করা থেকে আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনার সময় এটা। আল্লাহতায়ালা বলেন, হ্যাঁ, তবে তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও, যে তোমার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখবে আমি তার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখব এবং যে তোমাকে ছিন্ন করবে আমি তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করব? শুনে আত্মীয়তা বলল_ অবশ্যই। তখন আল্লাহতায়ালা বললেন, তোমার জন্য এরূপই করা হবে। _বুখারি ও মুসলিম
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত আরও একটি হাদিসে জনৈক ব্যক্তি হজরত রাসূলকে (সা.) জিজ্ঞাসা করল, আমার কিছু আত্মীয় এমন আছে, তাদের সঙ্গে সম্পর্ক যতই জুড়ি ততই তারা ছিন্ন করে, যতই সৎ ব্যবহার করি তারা দুর্ব্যবহার করে, সহনশীলতা অবলম্বন করলেও তারা বুঝতে চায় না। তখন হজরত রাসূল (সা.) বলেন, 'যদি ব্যাপারটি এমনই হয়, যেমন তুমি বললে তাহলে তুমি তাদের অতি কষ্টের মধ্যে নিক্ষেপ করলে, আর তুমি তাদের সঙ্গে যেভাবে ব্যবহার করে চলছ, তা যদি অব্যাহত রাখতে পার তাহলে আল্লাহ সর্বদা তোমার সাহায্যকারী থাকবেন।'_মুসলিম

-মাহফুজ আবেদ

সহজভাবে দীনের দাওয়াত দিতে হবে

| comments

আল্লাহ পবিত্র কোরআন নাজিল করেছেন সহজ ভাষায়। মানুষ যাতে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের দিকে আসে তা নিশ্চিত করতেই সহজভাবে তাদের কোনটি আলোকিত পথ তা বাতলে দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ নিজেও পবিত্র কোরআনে এ বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও সহজভাবে মানুষকে আল্লাহ তথা সত্য ও সুন্দরের পথে আসার জন্য শিক্ষা দিয়েছেন।

আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা দীনের জ্ঞান শিক্ষা দাও ও সহজ করে পেশ কর। এ কথা তিনি তিনবার বলেছেন। তুমি উত্তেজিত হয়ে পড়লে নীরবতা অবলম্বন কর। এ কথাও তিনি তিনবার বলেছেন (ইমাম বুখারীর আদাবুল মুফরাদ গ্রন্থ থেকে)।

তাবিঈ শাকীক (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) প্রতি বৃহস্পতিবার লোকদের উদ্দেশে ওয়াজ-নসিহত করতেন। এক ব্যক্তি তাকে বলল, হে আবদুর রহমানের পিতা! আমার আকাক্সক্ষা এই যে, আপনি যদি প্রতিদিন আমাদের উদ্দেশে ওয়াজ-নসিহত করতেন। তিনি বলেন, একটা আশংকাই আমাকে তা করতে বাধা দেয়। তোমাদের বিরক্ত হয়ে যাওয়ার ভয়ে আমি দৈনিক ওয়াজ-নসিহত করা পছন্দ করি না। এ ব্যাপারে আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নীতি অনুসরণ করি। পাছে আমরা তাঁর নসিহতে বিরক্ত হয়ে যাই সেদিকে তিনি খেয়াল রাখতেন (বুখারী, মুসলিম থেকে মিশকাতে)।

আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কারো কোনো আচরণ অপছন্দ হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার এই দোষ সামনা-সামনি খুব কমই ধরতেন। একদিন এক ব্যক্তি তার কাছে এলো। তার দেহে (পোশাকে) হলুদ রংয়ের চিহ্ন ছিল। সে যখন (মজলিশ থেকে) উঠে দাঁড়ালো তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের বলেন, সে যদি এই রং পরিবর্তন অথবা পরিষ্কার করে ফেলত! (আদাবুল মুফরাদ থেকে)

সমাজের প্রভাবশালী ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিগণ যদি পদে পদে লোকের ভুল ধরে তবে তাতে সুফল হওয়ার পরিবর্তে অবাধ্যতার প্রবণতা সৃষ্টি হওয়ার আশংকা রয়েছে। এজন্য সংস্কার-সংশোধনের ক্ষেত্রে বিজ্ঞোচিত কর্মপন্থা অবলম্বন করা উচিত। যারা দীনের প্রচারক তাদের উচিত তাদের কথা এবং কাজে কোনো মানুষ যাতে কষ্ট না পায়। মানুষকে সংশোধন করা এবং অন্ধকারের পথ থেকে আলোর পথে নিয়ে আসার ক্ষেত্রেও এ সতর্কর্তা থাকতে হবে। মানুষের কাছে সহজ ও গ্রহণযোগ্যভাবে আল্লাহ ও তার রাসূলের (সা.) কথা বলতে হবে। সাধারণ মানুষ ভুল করতেই পারে। কিন্তু কথায় কথায় ভুল ধরার বদলে কোনটি সঠিক তা জানাবার দিকে বেশি নজর দিতে হবে।

লেখক : হাফেজ শেখ মিরাজ, ইসলামী গবেষক।

সুন্দর ব্যবহারের প্রতিদান

| comments

আল্লাহ ত'আলা খারাপ লোকের খারাবি থেকে বাঁচার জন্য এমন একটি হাতিয়ার ব্যবহার করতে বলেছেন যা বাজারে কিনতে পাওয়া যায় না, কিনতে টাকা-পয়সাও লাগে না। যা বহন করতে কোন কষ্ট বা ঝামেলা হয় না। আর এই হাতিয়ার দ্বারা যে সুন্দর মিমাংসা হবে অন্য কোন হাতিয়ারদ্বারা তা হবে না বরং হাতিয়ার যত বড় হবে বিপদ ততই ভয়ংকর হবে। অশান্তি ততই বাড়বে। হাতিয়ারটি হচ্ছে 'সুন্দর ব্যবহার'।

আল্লাহ তা'আলা বলেন: আপনি সদ্ব্যবহার দ্বারা (অসদ্ব্যবহারের) মোকাবিলা করুন, (তারপরে হঠাৎ দেখবেন) আপনার ও যার মধ্যে শত্রুতা ছিল সে ব্যক্তি আপনার আন্তরিক বন্ধুরূপে গণ্য হয়েছে। (সুরা-হা-মীম সেজদাহ: ৩৪)

মন্দের জওয়াবে মন্দ না করে বরং ক্ষমা করা উত্তম কাজ। অতি উত্তম কাজ এই যে, যে ব্যক্তি তোমাদের সাথে মন্দ ব্যবহার করে তুমি তাকে ক্ষমা তো করবেই এবং তার সাথে সুন্দর ব্যবহারও করবে এতে সে ব্যক্তি লজ্জিত হবে এবং যদি তোমার প্রতি কোন খারাবির সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে তাহলে সে তা থেকে বিরত থাকবে। এমনকি যদি তুমি এই সুন্দর ব্যবহার করতেই থাক আর সে যদি সত্যিই দুষ্ট লোক হয় তাহলে সে অন্যদের ক্ষতি করবে বটে কিন্তু তোমার কোন ক্ষতি করবে না, বরং তোমার আন্তরিক বন্ধুরূপে গণ্য হবে এবং তোমার বিপদে সে যথাযথ সাহায্য করবে। উলেস্নখিত আয়াতের নির্দেশে ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি তোমার প্রতি ক্রোধ প্রকাশ করে তার মোকাবিলায় তুমি সবর কর। যে তোমার প্রতি মূর্খতা প্রকাশ করে, তুমি তার সহনশীলতা প্রদর্শন কর এবং যে তোমাকে জ্বালাতন করে, তুমি তাকে ক্ষমা কর। (মাআরিফুল কুরআন ) রেওয়াতে আছে, হযরত আবু বকর সিদ্দিকীকে (রা.) জনৈক ব্যক্তি গালি দিল অথবা মন্দ বলল, তিনি জওয়াবে বললেন, যতি তুমি সত্যবাদী হও এবং আমি অপরাধী ও মন্দ হই, তবে আলস্নাহ তা'আলা যেন আমাকে ক্ষমা করেন। পক্ষান্তরে, যদি তুমি মিথ্যা বলে থাক, তবে আলস্নাহ তা'আলা যেন তোমাকে ক্ষমা করেন। (কুরতুবী)

হযরত হোযায়ফা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূল (স.) এরশাদ করেছেন, তোমরা অন্যদের অনুসারী হয়ো না। এরূপ চিন্তা করো না যে, লোকে আমাদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করলে আমরাও তাদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবো। আর লোকে যদি আমাদের ওপর জুলুম করে তবে আমরাও জুলুম করবো। না, বরং তোমরা এই দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ কর যে মানুষ যদি তোমাদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করে, তাহলে তোমরাও তাদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবে। আর তারা যদি তোমাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে তাহলে তোমরা তাদের উপর কোন জুলুম করবে না। (তিরমিযি)

হযরত আবু হুরায়রা (রা.) কর্তৃক বর্ণিত, রাসূল (স.) এরশাদ করেন, সেই আলস্নাহর কসম, যিনি আমাকে সত্য-দ্বীনসহ পাঠিয়েছেন। কেয়ামতের দিন আলস্নাহ তা'আলা সেসব লোকদের আজাব দেবেন না যারা পৃথিবীতে এতিমদের প্রতি রহম করেছে, তাদের সাথে কোমলভাবে কথা বলেছে, তাদের এতিমি ও কমজোরির প্রতি হূদয়ে সহানুভূতি রেখেছে এবং নিজের সম্পদের প্রাচুর্যের কারণে প্রতিবেশির মোকাবেলায় নিজের বড়াই ভাব দেখায়নি।

-হোসাইন আল খালদুন

গীবত থেকে বিরত থাকার ফজিলত

| comments

গীবত বা পরচর্চা অত্যন্ত নিন্দনীয় অপরাধ। এর জন্য একদিকে সমাজে একে অপরের বিরুদ্ধে শত্রুতা বা হিংসা- বিদ্বেষ বাড়ে তেমনি সৃষ্টি হয় অশান্তি। হযরত আবু হুরায়রা (রা.) নবী করীম (স.) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেন, তোমরা কি জান গীবত কি? সাহাবীরা বললেন, আল্লাহ ও তার রাসূল (স.) সমধিক জ্ঞাত। রাসূলূল্লাহ (স.) বললেন, তুমি তোমার ভাইয়ের অপছন্দীয় কিছু আলোচনা কর। তখন জনৈক সাহাবী জিজ্ঞাস করলেন আমি যা বললাম, তা যদি বাস্তবেও আমার ভাইয়ের মধ্যে থাকে, তবুও কি তা গীবত হবে? রাসূল (স.) বললেন, তুমি যা বললে তা যদি তার মাঝে থাকে, তবেইতো তুমি গীবত করলে। আর তুমি যা বললে, তা যদি তার মাঝে না থাকে তাহলে তুমি মিথ্যা অপবাদ দিলে। (মুসলিম তিরমিজি, আবু দাউদ) হযরত ইবনে আবী নুজাইহ (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমরা শুনেছি, এক বেঁটে মহিলা নবী করিম (স.) এর নিকট এলো, তারপর সে চলে গেলে আয়েশা (রা.) বললেন, মহিলাটি কত খাটো। তখন নবী করিম (স.) বললেন, তুমি তার গীবত করলে।

আয়েশা (রা.) বললেন, যা বাস্তব আমিতো শুধু তাই বললাম। রাসূল (স.) বললেন, তুমিতো তার ত্রুটির দিকটা উলেস্নখ করেছ। (মুসনাহদ আহমদ)

হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত নবী (স.) বলেছেন, মেরাজের রাতে যখন আমাকে ঊধর্্ব আকাশে উঠানো হল, আমি তখন কিছু লোককে অতিক্রম করে গেলাম। দেখলাম, তাদের পার্শ দেশের গোশত কেটে লোকমা বানিয়ে তাদের বলা হচ্ছে খাও। যেমন তোমরা তোমাদের ভাইদের গোশত খেতে। আমি তখন জিব্রাইলকে (আ.) বললাম, এরা কারা? জিব্রাইল (আ.) বললেন, এরা আপনার গীবতকারী উম্মত। (মুসনাদে আহমদ) হযরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বর্ণনা করেন। রাসূল (স.) এর যুগে দুর্গন্ধযুক্ত বায়ু প্রবাহ শুরু হল। তখন রাসূল(স.) বললেন, মুনাফিকরা মুসলমানদের গীবত করেছে। তাই দুর্গন্ধযুক্ত বায়ু প্রবাহিত হচ্ছে।

হযরত হাসান বসরী থেকে বর্ণিত জনৈক ব্যক্তি এসে তাকে বললো, অমুক ব্যক্তি আপনার গীবত করছে। তখন তিনি গীবতকারীর নিকটে এই বলে এক ঝুড়ি সদ্য পাড়া খেজুর পাঠিয়ে দিলেন যে, আমি শুনতে পেলাম আপনার কিছু পুণ্য আমাকে উপহার দিয়েছেন। তাই আমি আপনাকে এর বিনিময়ে কিছু উপহার দিতে চাইলাম। কিন্তু এর চেয়ে ভাল কিছু দিতে পারলাম না। তাই ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

হযরত আবু উমামা বাহেলী (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, কেয়ামত দিবসে যখন বান্দাকে আমলনামা দেয়া হবে, তখন সে তাতে এমনসব পুণ্য দেখতে পাবে, যা সে করেনি। তখন বিস্মিত হয়ে বলবে, হে আমার রব! এত সোয়াব কোথা থেকে এল! আল্লাহতায়ালা বলবেন, তোমার অজান্তে মানুষ তোমার যে গীবত করেছে, এগুলো তার সওয়াব।

-অধ্যাপক এনায়েত আলী বিশ্বাস
 
Support : Creating Website | Johny Template | Mas Template
Copyright © 2011. ইসলামী কথা - All Rights Reserved
Template Created by Creating Website Published by Mas Template
Proudly powered by Premium Blogger Template